লো প্রেসার কেন হয় । প্রেসার লো হওয়ার লক্ষণ । প্রেসার লো হলে করণীয়

প্রেসার লো হওয়ার লক্ষণগুলো কি কি? বা প্রেসার লো হলে করণীয় সম্পর্কে। আজকের পোষ্টটি যদি আপনি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পডেন তাহলে জানতে পারবেন লো প্রেসার কি? লো প্রেসার কেন হয় । প্রেসার লো হওয়ার লক্ষণ । প্রেসার লো হলে করণীয় সম্পর্কে। 

লো প্রেসার কেন হয় । প্রেসার লো হওয়ার লক্ষণ । প্রেসার লো হলে করণীয়
লো প্রেসার কেন হয় । প্রেসার লো হওয়ার লক্ষণ । প্রেসার লো হলে করণীয়

এছাড়াও এই পোস্টের মাধ্যমে আপনারা আরও জানতে পারবেন প্রেসার লো হওয়ার কারণ, প্রেসার লো হলে কি কি সমস্যা হয়, প্রেসার লো হলে কি খেতে হবে, লো প্রেসার হলে কি কি ফল খাওয়া উচিত, লো প্রেসার হলে কি কি খাওয়া উচিত নয়, লো প্রেসারের ঔষধের নাম, লো প্রেসার কমানোর ঘরোয়া উপায় কি এবং লো প্রেসার হাই করার উপায় ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কিত তথ্যগুলো। আশা করি এই আর্টিকেল টি পড়ার মাধ্যমে লো প্রেসার নিয়ে অহেতুক চিন্তা বা ভয় না করে সঠিক তথ্য জেনে নিয়ম মাফিক জীবন যাপনে অভ্যস্ত হবেন।

লো প্রেসার কি?  লো প্রেসার বলতে কি বুঝি?

অনেকেই বলেন, আমার ‘লো প্রেসার’, বা  ব্লাড প্রেসার সব সময় কম থাকে। এই বিষয় নিয়ে অনেকেই চিন্তিত। সত্যিই কারো কি  নিম্ন রক্তচাপ থাকতে পারে? কিন্তু কেন?

রক্তচাপ পরিমাপ করার সময় আমরা দুটি পরিমাপ দেখি। সিস্টোলিক রক্তচাপ যা রক্তচাপের উপরের পরিমাপক। আর নিচের দিকে রয়েছে ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ নামক পরিমাপক। সিস্টোলিক রক্তচাপ ১২০ মিলিমিটার পারদের এর কম হওয়া উচিত এবং ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ ৮০ মিলিমিটার পারদের উপর হওয়া উচিত, যা রক্তচাপের স্বাভাবিক মাত্রা। যাদের রক্তচাপ স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে কম থাকে তাদের লো প্রেসার আছে বলে ধারণা করা হয়।

কিন্তু স্বাভাবিক রক্তচাপ থেকে কতটা কম রক্তচাপ থাকলে তাকে লো প্রেসার বা নিম্ন রক্তচাপ বলা হবে সেটা নিয়ে জানা জরুরী। 

প্রকৃতপক্ষে, যদি সিস্টোলিক রক্তচাপ ৯০ মিলিমিটার পারদের কম এবং ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ ৬০ মিলিমিটার পারদের কম না থাকলে তাকে নিম্ন রক্তচাপ বা ‘লো প্রেসার’ বলা হয় না। তার মানে রক্তচাপ ৯০/৬০ মিলিমিটার পারদ থেকে ১২০/৮০ মিলিমিটার পারদ থাকলে তা স্বাভাবিক রক্তচাপ বলে গণ্য হয়। কিন্তু অনেকেই রক্তচাপ সামান্য কম থাকলেই তাকে কম রক্তচাপ, নিম্ন রক্তচাপ, বা ‘লো ব্লাড প্রেসার’, হিসাবে ধরে নেন যা সঠিক নয়।

আমাদের রক্তচাপ দিনের বিভিন্ন সময়ে পরিবর্তিত হয়। হাঁটা, ব্যায়াম, পরিশ্রম, ডিহাইড্রেশন, বিশ্রাম বা ঘুম — অনেক কিছুই রক্তচাপের সাথে সম্পর্কিত। দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা, শুয়ে থাকা বা বসে থাকাও রক্তচাপকে প্রভাবিত করে। মধ্যরাতে ঘুমের সময় রক্তচাপ সবচেয়ে কম থাকে। ভোর হতেই বাড়তে থাকে। বিকেল ও বিকেলে তা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায় এবং সন্ধ্যার পর থেকে কমতে থাকে।

এই ওঠানামা সাধারণত সিস্টোলিক ১০ থেকে ১৫ মিলিমিটার পারদ এবং ডায়াস্টোলিক ৫ এবং ১০ মিলিমিটার পারদ হয়। তাই বিভিন্ন সময়ের পরিমাপে একটু ভিন্নতা পাওয়া স্বাভাবিক।

নিম্ন রক্তচাপ উচ্চ রক্তচাপের মতো রোগ নয়। নিম্ন রক্তচাপ অন্য রোগের উপসর্গ হতে পারে। তাই কারো রক্তচাপ কম থাকলে (৯০/৬০ মিলিমিটার পারদ এর  কম)  সঠিক কারণ খুঁজে বের করে চিকিৎসা করা উচিত। আর হঠাৎ করে এমনটা হলে অন্যান্য উপসর্গ বিবেচনা করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

আপনার ভালো লাগতে পারেঃ ডায়াবেটিস কি । ডায়াবেটিস কেন হয় । ডায়াবেটিস এর লক্ষন

 লো প্রেসার কেন হয়?  প্রেসার লো হওয়ার কারণ

আমরা আগেই আলোচনা  করেছি  যে, নি রক্তচাপ বা লো প্রেসার কোন রোগ নয় অন্য রোগের উপসর্গ হিসাবে গন্য  হয়। তাই এখন আমরা জানব লো প্রেসার কেন হয়? বা  প্রেসার লো হওয়ার কারণ সম্পর্কে।  তো চলুন দেখে নিই কি কি কারণে সাধারণত প্রেসার লো হয় বা শরীরে রক্তের চাপ কমে যায়ঃ

> ডায়রিয়া, বমি, রক্তপাত, রক্তস্বল্পতা বা ডিহাইড্রেশন এর কারণে নিম্ন রক্তচাপ  বা  লো প্রেসার হতে পারে।

> কিছু হরমোনজনিত সমস্যা, বিশেষ করে থাইরয়েড এবং অ্যাড্রিনাল হরমোনের সমস্যাও নিম্ন রক্তচাপের কারণ হতে পারে।

> হার্ট অ্যাটাক, হার্ট ফেইলিওর, হার্ট-ভালভ ডিজিজ এবং জন্মগত হৃদরোগের মতো হৃদরোগও নিম্ন রক্তচাপের কারণ হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ উচ্চ রক্তচাপ কি? হাই প্রেসার এর লক্ষণ এবং প্রেসার হাই হলে করণীয় কি?

প্রেসার লো হওয়ার লক্ষণ। প্রেসার লো হলে কি কি সমস্যা হয়

শরীরে রক্তের চাপ কমে গেলে বা প্রেসার লো হলে নানা রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে যা  প্রেসার লো হওয়ার লক্ষণ হিসাবে বিবেচনা করা হয়। নিম্ন রক্তচাপের সাধারণ লক্ষণগুলি হল:

> মাথা ঝিমঝিম, হালকা মাথা ব্যাথা বা মাথা ঘোরা অনুভব করা।

> বসা বা শুয়ে থেকে হঠাৎ উঠে দাঁড়ালে শরীরে ভারসাম্যহীনতা অনুভব করা।

> দুর্বল বোধ অনুভূত হওয়া। 

> চোখে ঝাপসা বা অন্ধকার দেখা।

> খুব পিপাসা অনুভূত হওয়া।

> হঠাৎ পড়ে যাওয়া বা চেতনা হারানো।

> স্বাভাবিক হৃদস্পন্দনের চেয়ে দ্রুত গতির হৃদস্পন্দন ।

> হাত পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া।

> প্রস্রাব কমে যাওয়া।

এতক্ষণ আমরা প্রেসার লো হওয়ার লক্ষণ বা  উপসর্গ সম্পর্কে জানতে পারলাম। যদি কারো শরীরে উপরোক্ত উপসর্গগুলো দেখা দেয় তাহলে সে লো প্রেসার বা নিম্ন রক্তচাপে ভুগতেছে। তাই তার উচিৎ দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া উচিৎ। পরবর্তীতে আমরা জানব প্রেসার লো হলে করণীয় সম্পর্কে।  

প্রেসার লো হলে করণীয়

উপরের আলোচনা থেকে আমরা লো প্রেসার কেন হয়? প্রেসার লো হওয়ার লক্ষণ এর বিষয়ে জেনেছি। তাই এখন আমরা জানব প্রেসার লো হলে করণীয় সম্পর্কে- প্রায়শ দেখা যায় অনেক মানুষের রক্তচাপ বেশিরভাগ সময় স্বাভাবিকের চেয়ে কম থাকে। এতে তাদের কোনো শারিরীক সমস্যা হয় না। এটা নিয়ে চিন্তার কোনো কারণ নেই। উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ গ্রহণকারী রোগীরা প্রায়শই স্বাভাবিক বা সামান্য নিম্ন রক্তচাপের কারণে ওষুধ বন্ধ করে দেয়।

এটাও ঠিক নয়। প্রয়োজনে, ওষুধ বা এর ডোজ পরিবর্তন করতে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন, নিজের সিদ্ধান্ত নেবেন না। তবে কারো রক্তচাপ খুব বেশি নেমে যাওয়ার সমস্যা থাকলে বা কোনো লক্ষণ দেখা দিলে সমস্যার কারণ চিহ্নিত পূর্বক চিকিৎসা করতে হবে। রক্তচাপ খুব বেশি কমে গেলে মস্তিষ্ক, কিডনি ও হার্ট অ্যানিমিয়ায় ভুগতে পারে এবং এসব অঙ্গে নানা জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই লো প্রেসার হলে কি করণীয় তা জানা আবশ্যক। নিম্নে প্রেসার লো হলে করণীয় কি তা  বর্ণিত হল:

> দীর্ঘক্ষণ বসে বা শুয়ে থাকার পর ধীরে ধীরে উঠুন। যাদের বয়স ৬০ এর উপরে তাদের এটি অবশ্যই করা উচিত।

> বেশিক্ষণ খালি পেটে থাকবেন না। দীর্ঘ কাজের মাঝে হালকা নাস্তা করা ভালো।

> পর্যাপ্ত পানি পান করুন। গরমের দিনে অতিরিক্ত ঘামের ফলে শরীরে যাতে পানিশূন্যতা না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

> অনেকেই ভুল করে খাবার থেকে লবণ একেবারে বাদ দেন। এটা ঠিক না। সব মিলিয়ে প্রতিদিনের খাবারে এক চামচ লবণ রাখতে হবে।

> ডায়রিয়া বা বমির ক্ষেত্রে শরীর যাতে পানিশূন্য না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এ সময় খাবারের পরিমাণ স্যালাইন, তরল খাবার, ডাবের পানি পান ও স্বাভাবিক খাবার খেতে হবে।

প্রেসার লো হলে কি খেতে হবে  

নিম্ন রক্তচাপ বা প্রেসার লো হওয়ার কারণে মাথা ঘোরা, ক্লান্তি, মূর্ছা যাওয়া, বমি বমি ভাব, বুক ধড়ফড়, অলসতা, ঝাপসা দৃষ্টি এবং স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিতে অসুবিধা হতে পারে।  সুতরাং, রক্তের চাপ কমে গেলে, বাড়িতে কিছু প্রাথমিক পদক্ষেপ নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যা অবিলম্বে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আনতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। এখন এমন কিছু খাবার এর নিয়ে আলোচনা করব যে খাবারগুলো রক্তচাপকে স্বাভাবিক করতে সাহায্য করতে পারে।  জেনে নিন সেই খাবারগুলো কী কী-

তরল খাদ্য

শরীরে পানির পরিমান কমে গেলে রক্তচাপ কমে যেতে পারে ফলে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। এই সমস্যা থেকে অবিলম্বে মুক্তি পেতে পর্যাপ্ত পরিমাণ তরল জাতীয় খাবার খান যেমনঃ  ফলের রস, স্যুপ, মিষ্টি পানীয়, কফি খেতে পারেন।  এটি রক্তচাপকে স্বাভাবিক করতে সহায়তা করবে।

যেসব খাবারে ফোলেট থাকে 

ভিটামিন বি কমপ্লেক্স পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার যা শরীরকে সুস্থ রাখে। এই ভিটামিন বি কমপ্লেক্স পুষ্টি রক্তশূন্যতার সমস্যাও প্রতিরোধ করে। ফোলেট সমৃদ্ধ খাবারের মধ্যে রয়েছে সাইট্রাস ফল, শাক, আলু, মসুর ডাল এবং সেদ্ধ ডিম। রক্তচাপ কমার সমস্যা হলে সঙ্গে সঙ্গে খেতে পারেন এই খাবারগুলো।

লবন সমৃদ্ধ খাবার  

খাবারে লবণ রক্তচাপ স্বাভাবিক করতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে। কটেজ চিজ, স্মোকড ফিশ, আচার ইত্যাদি খেতে পারেন। এছাড়া এক গ্লাস পানিতে দুই চা চামচ চিনি ও এক-দুই চামচ লবণ মিশিয়ে খেলেও রক্তচাপ বাড়বে। প্রয়োজনে প্রতিদিনের খাবারে লবণের পরিমাণ বাড়ান।

ভিটামিন বি -১২ সমৃদ্ধ খাবার 

খাদ্যতালিকায় ভিটামিন বি-১২ সমৃদ্ধ কিছু খাবার থাকলে তা রক্তস্বল্পতার ঝুঁকি কমায় এবং রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতেও সাহায্য করে। সে জন্য ডিম, মুরগির ব্রেস্ট, দই, গরুর মাংসের কলিজা, স্যামন ইত্যাদি খেতে পারেন। এগুলো ভিটামিন বি-১২ সমৃদ্ধ খাবার যাতে প্রচুর ভিটামিন বি-১২ বিদ্যমান রয়েছে।

   এছাড়াও বাদাম, কিশমিশ, মধু, খাবার স্যালাইন খেতে পারেন। যা তাৎক্ষণিকভাবে রক্তচাপ স্বাভাবিক করতে সাহায্য করবে।

প্রিয় পাঠক আমি আশা করি এতক্ষণে আপনি নিশ্চয়ই জানতে পেরেছেন লো প্রেসার হলে কি খেতে হবে। কোন খাবার খেলে প্রেসার হঠাৎ লো হলে তা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। আর যদি এখনও বুঝতে না পারেন লো প্রেসার হলে কি খেতে হবে তাহলে উপরের আলোচনাটি আবার মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। এখন আমরা আমাদের আলোচনার পরবর্তী অংশে লো প্রেসার কমানোর ঘরোয়া উপায় কিএই বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। তাই অন্য কোথাও না গিয়ে নিচের আলোচনাটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন।

জেনে রাখা ভালোঃ শীতে ত্বকের যত্ন বা শীতকালে ত্বকের যত্ন কিভাবে নিবেন? 

লো প্রেসার কমানোর ঘরোয়া উপায় কি 

রক্ত চাপ খুব বেশি কমে গেলে মস্তিষ্ক, কিডনি এবং হার্টে রক্ত ​​সঠিকভাবে প্রবাহিত হতে পারে না, যার ফলে ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে পড়ে।  তাই মানসিক চাপ কমাতে বাড়িতে কিছু প্রাথমিক পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। আপনি বা আপনার পরিবারের সদস্যরা কেউ যদি লো প্রেসার বা নিম্ন রক্তচাপে ভুগেন তাহলে অবশ্যই লো প্রেসার কমানোর ঘরোয়া উপায় কি এই বিষয়টি জেনে রাখা  ভালো যা বিপদের সময় কাজে দিবে। তো চলুন দেখে নেওয়া যাক লো প্রেসার কমানোর ঘরোয়া উপায় কি সেই সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলী

লবণ পানি খাওয়া

লবণে সোডিয়াম থাকে যা রক্তচাপ বাড়ায়। তবে পানিতে বেশি লবণ না দেওয়াই ভালো। এক গ্লাস পানিতে দুই চা-চামচ চিনি ও এক-দুই চা-চামচ লবণ মিশিয়ে নিলে ভালো হয়। কিন্তু যাদের ডায়াবেটিস আছে তাদের চিনি এড়িয়ে চলা উচিত।

কফি পান 

স্ট্রং কফি, হট চকলেট, কোকোকোলা সহ যেকোনো ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় দ্রুত রক্তচাপ বাড়ায়। আপনি যদি হঠাৎ লো প্রেসার অনুভব করেন তবে আপনি এক কাপ কফি খেতে পারেন। যারা দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যায় ভুগছেন তারা সকালে ভারী নাস্তার পর এক কাপ শক্তিশালী কফি খেতে পারেন। কিন্তু লো প্রেসার থাকলে কোকোকোলা পান না করাই ভালো। কারণ এর অন্যান্য ক্ষতিকর দিকও রয়েছে।

কিছমিস ভেজানো পানি পান

নিম্ন রক্তচাপ এর ওষুধ হিসেবে অতি প্রাচীনকাল থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে কিছমিস। এক-দুই কাপ কিছমিস সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রাখুন এবং পরের দিন সকালে খালিপেটে সেগুলো খান। সঙ্গে কিছমিস ভেজানো পানিও খেয়ে নিন। এছাড়াও পাঁচটি কাঠবাদাম ও ১৫ থেকে ২০টি চীনাবাদাম খেতে পারেন।

পুদিনা পাতা 

ভিটামিন সি, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম এবং প্যান্টোথেনিক উপাদান যা দ্রুত রক্তচাপ বাড়ায় এবং মানসিক ক্লান্তি দূর করে। পুদিনা পাতা বেটে তাতে মধু মিশিয়ে পান করুন।

যষ্টি মধু

যষ্টি মধু প্রাচীনকাল থেকেই বিভিন্ন রোগের ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এক কাপ পানিতে এক টেবিল চামচ যষ্টি মধু মিশিয়ে পান করুন। দুধের সাথে মধু খেলেও উপকার পাওয়া যাবে।

বিটের রস

বিটরুটের রস উচ্চ রক্তচাপ এবং নিম্ন রক্তচাপ উভয়ের জন্য সমানভাবে উপকারী। এটি রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে বড় ভূমিকা পালন করে। হাইপোটেনশনের রোগীরা দিনে দুই কাপ বিটের রস খেতে পারেন। এভাবে এক সপ্তাহ খেলে উপকার পাবেন।

প্রিয় ভিজিটর এতক্ষণে আপনি নিশ্চয়ই জানতে পেরেছেন লো প্রেসার কমানোর ঘরোয়া উপায় কি এবং আশা করি এই উপায়গুলো জানার মাধ্যমে হঠাৎ লো প্রেসারে আক্রান্ত রোগীকে প্রাথমিক পর্যায়ে বিপদমুক্ত করা সম্ভব হবে।

লো প্রেসার কেন হয় । প্রেসার লো হওয়ার লক্ষণ । প্রেসার লো হলে করণীয়ঃ শেষকথা 

প্রিয় পাঠক আশা করছি আপনি লো প্রেসার কি, লো প্রেসার কেন হয়, প্রেসার লো হওয়ার লক্ষণ, প্রেসার হলে করণীয়,  প্রেসার লো হলে কি কি সমস্যা হয়, প্রেসার লো হলে করণীয়, প্রেসার লো হলে কি খেতে হবে, লো প্রেসার কমানোর ঘরোয়া উপায় কি ইত্যাদি বিষয়ে খুব ভালোভাবে জানতে পেরেছেন। আমাদের এই পোস্টটি যদি আপনার ভালো লেগে থাকে তাহলে এই পোস্টটিকে আপনি আপনার বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না। সেইসঙ্গে আপনি যদি পরবর্তীতেও এই ধরনের নতুন নতুন পোস্ট পড়তে চান তাহলে নিয়মিত আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন। ধন্যবাদ।

Leave a Comment